শিরোনাম
◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার

প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৬, ০৬:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

সংসদ যেন কোনো ব্যক্তির চরিত্র হননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়: ডাঃ শফিকুর

মনিরুল ইসলাম: বিরোধীদলীয় নেতা ও  জামায়াতের আমীর ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদ যেন কোনো ব্যক্তির চরিত্র হননের কেন্দ্রে পরিণত না হয়। অতীতে সংসদে জনস্বার্থের আলোচনা অপেক্ষা ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্র হননের ঘটনাই বেশি ঘটেছে বলে মন্তব্য করে তিনি আশা প্রকাশ করেন— নতুন এই সংসদ হবে জনগণের কল্যাণ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি কার্যকর মঞ্চ।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। 

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংসদ কোনো গতানুগতিক সংসদ নয়; এটি দাঁড়িয়ে আছে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলন ও বিপ্লবের রক্তের ওপর। তিনি বলেন, গত সাড়ে ১৫ বছরে যারা নির্যাতিত হয়েছেন এবং জুলাইয়ের আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের ত্যাগের বিনিময়েই আজ এই সংসদে কথা বলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

বক্তব্যের শুরুতে মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে নিজের নির্বাচনি এলাকার জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৭৫ ও ১৯৯০ সালের বিভিন্ন গণআন্দোলনের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। বিশেষ করে গত সাড়ে ১৫ বছরে যারা গুম, নির্যাতন ও অবিচারের শিকার হয়েছেন এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। শহীদদের জন্য তিনি জান্নাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

স্পিকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫৫ বছরে খুব অল্প সময়ের জন্য সংসদীয় গণতন্ত্র কার্যকর ছিল। অধিকাংশ সময়ই দেশ ফ্যাসিবাদী শাসনের অধীনে ছিল এবং সংসদ ছিল কার্যত একটি ‘ডামি’ বা অকার্যকর প্রতিষ্ঠান। অতীতে যারা স্পিকারের দায়িত্বে ছিলেন, তারা অনেক ক্ষেত্রেই গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের প্রশ্নে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বর্তমান স্পিকার দলীয় পদ ত্যাগ করে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তার কাছ থেকে নিরপেক্ষ আচরণ প্রত্যাশা করছেন তিনি। তিনি বলেন, স্পিকারের কাছে সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না—এটাই জনগণের প্রত্যাশা। সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় ন্যায়বিচার ও ইনসাফ নিশ্চিত হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়