শিরোনাম
◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করতে শিশুর অঙ্গহানি, কঠোর শাস্তি দিল আদালত

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ৭ বছরের এক শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার দায়ে ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- সালাহউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া ও খন্দকার ওমর ফারুক। বয়স বিবেচনায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলো, মো. রমজান ও সাদ্দাম। এ মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় কাউসার ও নাজমা আক্তার নামের দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক দণ্ডিতকে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে জরিমানার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে হস্তান্তর করতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক কারাগারে আছে। তবে পলাতক সালাহউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১০ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর মো. উমেদ আলীর ৭ বছর বয়সী ছেলে নিয়ামুল বাড়ির বাইরে খেলতে যায়। সে সময় আসামিরা তাকে কামরাঙ্গীরচর থানার পাকাপুল রোডের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে লিঙ্গ কেটে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করে।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৫ই মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র?্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচারকালে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়