দায়িত্ব পেয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অনেকগুলো অবিশ্বাস্য সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলের এমপি-মন্ত্রীরা মুখিয়ে ছিলেন সরকারি প্লট আর শুল্কমুক্ত গাড়ি নিতে। কিন্তু সেটাতে গুড়েবালি। সরকার গঠনের দিনই সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঘোষণা দেন- আমাদের মন্ত্রী-এমপিরা এই সুযোগ পাবেন না।
এ ছাড়া সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে ভিভিআইপি প্রটোকল না নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রী। সম্পাদকদের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে এসব বিষয় আলোচনায় আসে। তবে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে তখন একজন সম্পাদক জিজ্ঞেস করেছিলেন, মন্ত্রী-এমপিরা তো আপনার এই সিদ্ধান্তে মন খারাপ করেছেন। তখন তিনি বললেন, ‘মন তো আমারও খারাপ’।
আমিও তো সেই সুযোগ পেলাম না। প্রসঙ্গটা এসেছিল, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের দুপুরের খাবার নিয়ে। বিনয়ের সঙ্গে বলছিলেন মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন আছে। তবে আপনাদের মনঃপূত হবে কি না জানি না। আমি তো খাওয়ার বাজেটের ওপর কাঁচি চালিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে খাওয়ার জন্য বরাদ্দ ছিল জনপ্রতি প্রায় ৮০০ টাকা। পর্যটন করপোরেশন থেকে আসতো সেই খাবার। দীর্ঘদিন থেকে এই প্রাকটিস চলে আসছিল।
আমি তা কমিয়ে ১৫০ টাকা করেছি। বৈঠকের শুরুতেই খাওয়ার আয়োজন। নিজে আগে না নিয়ে মালিক-সম্পাদকদের আমন্ত্রণ জানালেন। সাদাসিধে মেন্যু। সাদা ভাত, ঢেঁড়স ভাজি, লাউ-চিংড়ি, একটি ডিমের তরকারি। খাওয়া শেষে ছিল মিনি পেয়ালায় দই। আলোচনার শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী জানালেন, মন্ত্রী-এমপিদের জ্বালানি তেলের বরাদ্দ ৩০ শতাংশ বাতিল করা হয়েছে। সূত্র: মানবজমিন