শিরোনাম
◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি ◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও) ◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব?

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:৪০ দুপুর
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : মহসিন কবির

ছুটির দিনে ভোটের মাঠে উত্তাপ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আর আশ্বাস

জাতীয় নির্বাচনের ভোটের প্রচারের দ্বিতীয় দিনে ঢাকায় হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আর রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তার নিজ নিজ দলে পক্ষ থেকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। যুক্তি খন্ডন করছেন। পাল্টা বক্তব্য দিচ্ছেন। 

তারেক রহমান: বাংলাদেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে দেশে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাষানটেকে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি প্রচারণায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটা জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, গত ১৫ বছরের দুঃশাসনে দেশ অনেক পিছিয়ে গেছে। আমাদের বাংলাদেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হবে। যদি বাংলাদেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হয়, তাহলে অবশ্যই আমাদের দেশে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কারণ, গণতান্ত্রিকভাবে যদি আপনারা আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারেন, তাহলেই একমাত্র এলাকার সমস্যা নিয়ে তার কাছে যেতে পারবেন।

১৫ বছরের দুঃশাসন পেছনে ফেলে জনগণ এখন বড় পরিবর্তনের জন্য অপেক্ষায় আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার সমস্যা যদি সমাধান করতে হয়, দেশের উন্নয়ন যদি করতে হয় তাহলে অবশ্যই আমাদের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু করতে হবে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারে। ভোট দিয়ে তার নিজের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারে।

তারেক রহমান বলেন, শুধু জাতীয় নির্বাচনে নয়, একইসঙ্গে পৌরসভা-উপজেলা-ইউনিয়ন পরিষদ, সব জায়গায় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে। অর্থাৎ, সব জায়গায় জবাবদিহিতা থাকতে হবে। আর যারা জনপ্রতিনিধি হবেন, তাদের অবশ্যই জানতে হবে জনগণের সমস্যা কী। এ সময় জনসভা মঞ্চে স্থানীয় কয়েকজনকে ডেকে ভাষানটেকের মৌলিক সমস্যার কথাও শোনেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ভাষানটেকে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি প্রচারণায় অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক, সদস্য সচিব মোস্তফা জামানসহ সাংগঠনিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শফিকুর রহমান: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে উত্তরবঙ্গে প্রথম তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার রংপুর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে ১০ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, নদী জীবন ফিরে পেলে উত্তরবঙ্গ জীবন ফিরে পাবে। তাই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করলে কার ভালো লাগে এবং কার লাগবে না, এতে আমাদের কিছু যায় আসে না। আপনারা আমাদের দায়িত্ব দিলে, উত্তরবঙ্গে প্রথম তিস্তাতেই কোদাল বসাব।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ গত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে নিষ্পেষিত ছিল। মানবিক যে অধিকার পাওয়ার কথা ছিল, তা পাওয়া হয় নাই। কানাডার বিশাল একটা জায়গায় শুধু পালিয়ে যাওয়া লোকেদের পরিবার থাকে। যেহেতু ওই সমস্ত জায়গায় তাদের বেগমরা থাকে, তাই নাম দিয়েছে বেগমপাড়া। এতো লুটপাট করে কী লাভ হলো? শান্তি তো পেলেন না। আপনারা আলেম-ওলামাদের খুন করেছেন। একটা মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য একটা নারীকে ছিন্নভিন্ন করেছিলেন। আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত আব্রু নিয়ে নোংরামো করার চেষ্টা করেছেন।

২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে চব্বিশের ৫ আগস্ট পর্যন্ত অসংখ্য মানুষকে হত্যা, আহত, গুম করা হয়েছে। জামায়াত শিবিরকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। জামায়াতের ১১ জন সিনিয়র নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। এক হাজারের ওপরে আমাদের নেতাকর্মীদের খুন করা হয়েছে। শত শত মানুষকে গুম আয়নাঘরে নিয়েছিল। ৫ তারিখের পর আমাদের আশা ছিল শান্তিতে বসবাস করব। কিন্তু আমাদের আশায় গুড়ে বালি। রংপুরের মানুষ শান্তশিষ্ট। তারা অল্পে তুষ্ট।

ক্ষমতায় গেলে দিনাজপুরকে সিটি কর্পোরেশন করার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরেরক্ষমতায় গেলে দিনাজপুরকে সিটি কর্পোরেশন করার প্রতিশ্রুতি জামায়াত আমিরের আমরা ছিলাম সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, আমরা নিরীহ কোনো মানুষকে মামলা দিয়ে হয়রানি করি নাই। নিরপরাধ কারো নাম ঢুকে গেলে আমরা তাদের মুক্ত করে দিয়েছি। কাউকে ছাড়ানোর জন্য খাজনা চাই নাই।

আমরা চাই চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত, অসৎ ও প্রতারকমুক্ত বাংলাদেশ। কোনো অসৎ মজার মজার মিথ্যা ওয়াদা দিলে তাদের লাল কার্ড দেখাবেন। এই দেশে আমরা চারটি ধর্মের মানুষ বসবাস করি। আল্লাহ আমাদের নিজ ইচ্ছায় এই দেশে পাঠিয়েছে। আল্লাহ সকল ধর্মের মানুষের জন্য রিজিকের ব্যবস্থা করেছে। মুসলমান অন্য কোনো ধর্মের ওপর কোনো ক্ষতি করতে পারে না। আমরা বাংলাদেশকে পাকিস্তান, আফগানিস্তান বা ইরান বানাতে চাই না। আমরা বাংলাদেশকে প্রিয় গর্বের বাংলাদেশ হিসেবে তৈরি করতে চাই।

আমরা কোনো বেকার ভাতা দিতে চাই না উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, বেকারভাতা বেকারের কারখানা তৈরি করে। আমরা নারী-পুরুষকে কাজ দিতে চাই। আমরা দেশের নারী-পুরুষকে সম্পদে পরিণত করতে চাই। আমাদের সকলের ঘরে মা-বোন আছে। সুতরাং নারীরা ঘরে কাজ করতে পারলে বাইরেও সম্মানের সাথে কাজ করতে পারবে। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় নারীরা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল। আমরা নারী কোনো ধর্মের, তা দেখব না। আমরা দেখব কতটুকু যোগ্যতাসম্পন্ন। যোগ্যতা অনুযায়ী আমাদের মা-বোনদের সম্মানজনক কাজ দেওয়া হবে।

জামায়াত আমির আরো বলেন, আমাদের সাথে সবাই আসতে পারবেন। তবে আসতে হলে তিনটি শর্ত মানতে হবে। প্রথমত, দুর্নীতি করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ইচ্ছা থাকতে হবে; বিচার ব্যবস্থায় কোনো হস্তক্ষেপ করা যাবে না। তৃতীয়ত, গত ৫৪ বছরের বস্তাপঁচা রাজনীতি বাদ দিয়ে আসতে হবে। গত ৫৪ বছরের রাজনীতি দেশকে শুধু পেছনের দিকে নিয়ে গিয়েছে। আমরা উত্তরবঙ্গকে কৃষিশিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব ইনশাআল্লাহ। উত্তরবঙ্গে প্রয়োজনে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করব ইনশাআল্লাহ। আমরা বলেছিলাম, কারো কোনো ক্ষতি করব না, আমরা করি নাই।

জামায়াত নেতা এটিএম আজহার, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, শিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী সিবগাতুল্লাহ সিবগা প্রমুখ সমাবেশে বক্তব্য দেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন শহিদ জিয়াউর রহমান, এ দেশের উন্নয়ন এবং স্বাধীনতা রক্ষা করেছে বিএনপি। এ দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির অপর নাম বিএনপি। সুতরাং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নিতে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে। 

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর-মানিকপুর ইউনিয়নে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্র মুক্তি পেয়েছে, জনগণ তাদের মালিকানা ফেরত পেয়েছে। তাই আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী রূপ দিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে মুক্ত পরিবেশে স্বাধীনভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে। এ দেশে যেন আর কোনোদিন ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। অগণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হলে সবারই একই পরিণতি হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি দেশের মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আজীবন সংগ্রাম করেছে। শহীদের অঙ্গীকার, ছাত্র-জনতার প্রত্যাশা, এ দেশের সব মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম মোবারক আলী, চকরিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল কবির চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।

সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের: জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড ভুয়া। যারা কার্ড নিয়ে যাবে তাদের আটকাবেন। চিফ ইলেকশন কমিশনার বলেছেন, এটা বেআইনি। এগুলা নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন।

তিনি আরও বলেন, একটি দল নতুন করে ভারতের সাথে আপস করে আবার দেশ শাসনের জন্য বাংলাদেশকে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিতে চায়। এদেশের মানুষ, ৪ কোটি যুবক এটা হতে দিবে না। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লা-১১ আসনে ডা. তাহেরের নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামের চিওড়া স্কুল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 
সমাবেশে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেমন থাকবে তেমনি দ্বিমত প্রকাশের স্বাধীনতাও থাকবে। আগামীতে আবারও ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। যারা কেন্দ্র দখল করতে আসবে চিন্তা করছেন তারা বাসা থেকে মা বাবার দোয়া নিয়ে বের হয়েন।
 
তিনি বলেন, ১২ তারিখ বাংলাদেশের গতিপথ নির্ধারণ হবে, আমরা সংখ্যাঘরিষ্ঠ হয়ে ১২ তারিখ সরকার গঠন করব। সমাবেশে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (চরমোনাই পীর) মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরে দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিমুক্ত করার সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। আমরা প্রথমে ৫ দল ও পরে ৮ দলে গঠনের মাধ্যমে এক বাক্স নীতিতে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একটি দল এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার রঙ্গিন স্বপ্ন দেখছে। তারা পাকা ধানের ভেতর মই দিয়ে ধান নষ্ট করে ফেলল। তারা শরিয়া অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করবে না। তারা ইসলামের লেবেল লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দিয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে ফতুল্লার ফাজেলপুরে হরিহরপাড়া স্কুল মাঠে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজীর নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, তারা গোপনে গোপনে পাশের দেশের সঙ্গে মিটিং করে আমাদের বিশ্বাসে আঘাত করেছে। যারা ভাইদের সঙ্গে প্রতারণা করে এদের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। ইসলামকে এরা সাইনবোর্ড লাগিয়ে জবাই করবে। এরা ইসলামের আশা চিন্তার ফসলকে নষ্ট করেছে।

তিনি আরও বলেন, তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারি না। এখন একটা বাক্সই ইসলামের পক্ষে যেটা হাতপাখার বাক্স। তরুন ভোটারদের প্রথম ভোট ইসলামের পক্ষে দেয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি। মা বোন মুরব্বিদের বলবো একবারের জন্য হাতপাখায় ভোট দিয়ে দেখেন। ফতুল্লার মাটি ইসলামের পক্ষের ঘাঁটি।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজী, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক লোকমান হোসেন জাফরি, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সাকী, কেন্দ্রীয় সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আবরার, মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ, মুফতি শফিকুল ইসলামসহ আরো অনেকে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়