শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:১৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রশ্নে যা বললেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চলতি বছরেই দলীয় কাউন্সিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাউন্সিলের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হলেও এ বছরই তা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে তৃণমূল পর্যায়ে সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি হওয়ার কোনো আকাঙ্ক্ষা আছে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ ধরনের প্রত্যাশা আমার কখনই ছিল না। আমি এ পর্যন্ত যেখানে এসেছি, সেটা আমার ভাগ্য নিয়ে এসেছে। আমার কাজটা ছিল, কিন্তু আমার আকাঙ্ক্ষা এখানে নিয়ে এসেছে বলে মনে করি না।’

আসন্ন কাউন্সিলের পর রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আমি খুবই ক্লান্ত। আগামী কাউন্সিল পর্যন্ত থাকতে হচ্ছে। কাউন্সিলের পর অবসর নিতে চাই। আমার অনেক বয়স হয়ে গেছে। অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।’

দলটির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় প্রায় এক দশক আগে। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে নতুন কাউন্সিল আয়োজন সম্ভব হয়নি বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। সাম্প্রতিক নির্বাচন শেষে বিষয়টি আবার গুরুত্ব পেয়েছে এবং স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে, যদিও এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে ২০১১ সাল থেকে পাঁচ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ছিলেন। ২০০৯ সালে দলের পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করা হয়।

ছাত্রজীবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পেশাজীবনে তিনি শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগ করে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন এবং ১৯৯২ সালে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। উৎস: যুগান্তর।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়