নিজস্ব প্রতিবেদক : নিজের দেশ, নিজের মাঠ, দর্শক আর আবহাওয়া সবই ছিলো টাইগারদের অনুকুলে। তারপরেও চরম ব্যর্থতা। নেপালের কাছে হোয়োইটওয়াশ হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতে পানরলো না বাংলাদেশ। বরং নিজেরাই হেরে গেলো ১৬ রানে। মিরপুর থেকে খেলা চট্টগ্রামে ফিরতেই চোখে মুখে আনন্দ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোচ ড্যারেন স্যামির।
কালো মাটির রহস্যময়ী উইকেট যে থাকছে না বন্দর নগরীতে। স্পোর্টিং উইকেট পেয়ে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের চেনা রূপ দেখালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬ রানের হার সঙ্গী লিটন দাসের দলের।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ১৬৬ রানের লক্ষ্যের বিপরীতে বাংলাদেশ অলআউট হওয়ার আগে থামলো ১৪৯ রানে। চট্টগ্রামের উইকেট মানেই রান বন্যা। তবুও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জন্য লক্ষ্যটা থাকলো নাগালের মধ্যেই। কিন্তু ১৬৬ রান তাড়া করতে গিয়েই বিপাকে স্বাগতিকরা। রীতিমতো বাংলাদেশকে উড়িয়েই দিলো ক্যারিবিয়ানরা। বাস্তবতা শিখিয়ে দিলো শাই হোপের দল।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে তানজিদ তামিমের ব্যাটে উড়ন্ত শুরুর আভাস মিলেছিলো। কিন্তু জাইডেন সিলসের বলে রোমারিও শেফার্ডের দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হন তামিম। ৫ বলে ১৫ রানে থামতে হয় এই বাঁহাতিকে।
এরপর পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যেই একে একে পথ ধরেন সাইফ হাসান (৭ বলে ৮), অধিনায়ক লিটন দাস (৮ বলে ৫) ও শামীম পাটোয়ারী (৪ বলে ১)। পাওয়ার প্লেতে ৪ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান তোলে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে যা হওয়ার তাই-ই হলো। বাজে এক হারই সঙ্গী হয়েছে স্বাগতিকদের। ১-০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেলো সফরকারীরা।
তানজিম সাকিব ও নাসুম আহমেদ আশা দেখিয়ে হারের ব্যবধানটাই কেবল কমাতে পেরেছেন। ২৭ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ৩৩ রান সাকিবের ব্যাটে। ১৩ বলে ৩ চার ১ ছক্কায় ২০ রান করেন নাসুম।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বড় ইনিংসের দেখা না পেলেও কার্যকরী ইনিংস খেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটাররা। দুই ওপেনার আলিক অ্যাথানেজ ২৭ বলে ৩৪ ও ব্রেন্ডন কিং ৩৬ বলে ৩৩ রান করেন।
শেষ দিকে ২৮ বলে অপরাজিত ৪৬ রান অধিনায়ক শাই হোপের ব্যাটে। সমান বলে ৪৪ রানের অপরাজিত ইনিংস রভম্যান পাওয়েলের ব্যাটে। দুজনের শেষের ঝড়েই ৩ উইকেটে ১৬৬ রানের লড়াকু পুঁজি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যা বোলাররা বানিয়ে ফেল জয়ের জন্য যথেষ্ট।