শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ স্টেডিয়াম হ‌চ্ছে আর্জেন্টিনায়

স্পোর্টস ডেস্ক : দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা, বিশ্ব ফুটবলের এক পরিচিত নাম। সেই দেশটিতে এবার নতুন এক ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে রিভার প্লেট। তাদের ঘরের মাঠ মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামকে এবার বিশ্বমানের সুপার স্টেডিয়ামে রূপ দিতে বিশাল সম্প্রসারণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে তারা। এই প্রকল্প শেষ হলে মনুমেন্তাল স্টেডিয়াম হবে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়াম।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় রিভার প্লেটের প্রেসিডেন্ট স্তেফানো দি কার্লো স্টেডিয়াম সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে দিনটিকে ঐতিহাসিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, প্রকল্পের অংশ হিসেবে পুরো গ্যালারির ওপর ছাদ নির্মাণ করা হবে। -- সময়‌নিউজ

আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ঘরের মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামের এই সংস্কার কাজ শেষ হলে এটি ক্লাব পর্যায়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম হবে। সংস্কার শেষে যার দর্শক ধারণক্ষমতা হবে ১ লাখ ৫ হাজার। 
 
বর্তমানে ৮৫ হাজার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে যুক্ত হবে আরও ১৬ হাজার আসন। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ কোটি ডলারেরও বেশি। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ। যা শেষ হতে সময় লাগবে আনুমানিক ৩৬ মাস।

 চারবারের কোপা লিবার্তাদোরেস জয়ী রিভার প্লেট এই প্রকল্পে জার্মান একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। ক্লাবটির আশা, আর্জেন্টিনা ২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হওয়ার আগেই স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হবে। 
 
এক বিবৃতিতে রিভার প্লেট জানায়, ‘গত এক বছর ধরে রিভার প্লেট কাজ করছে শ্লাইখ বার্গারমান পার্টনার (এসবিপি)-এর সঙ্গে। বৃহৎ স্টেডিয়ামের ছাদ নির্মাণে বিশ্বসেরা এই জার্মান প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এর আগে রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিতানো, টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়াম, অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনা, মারাকানা ও সান্তিয়াগো বার্নাব্যুসহ একাধিক আইকনিক প্রকল্পে কাজ করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়