স্পোর্টস ডেস্ক : জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে সভাপতি করে নতুন ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে।
গত ৭ এপ্রিল অ্যাডহক কমিটি গঠনের পরেই এনএসসির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেয়া হয় যে, আগামী তিন মাসের মধ্যে বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন আয়োজন করা হবে। তবে এর মধ্যে শুরু হয়ে গেছে নানা গুঞ্জন। সময়মত নির্বাচন হবেতো, হলেও কোন প্রক্রিয়ায় হবে?
বিসিবির সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর মনে করেন, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন না দিলে অবৈধ হয়ে যাবে ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটি। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় এখন কমিটিশূন্য হলেও কাউন্সিলর নির্ধারণে বাধা নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এই সংগঠক বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে (ক্রিকেট বোর্ডের) নির্বাচন করতে হবে। যেকোনো সময় মানে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন না করলে ৯১তম দিনে এই কমিটি অবৈধ হয়ে যাবে। এবং এই কমিটির বিরুদ্ধে যদি কেউ আদালতে যায় তাহলে বাংলাদেশ ক্রিকেট স্থবির হয়ে যাবে।
নতুন সরকার জেলা ও বিভাগের অ্যাডহক কমিটি ভেঙ্গে দিয়েছে। সহসা নির্বাচনেরও কোনো লক্ষণ নেই। তাই কাউন্সিলরশিপ নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা আছে। আলমগীর মনে করেন, কোনও কমিটি না থাকলেও সাধারণ পরিষদ দিয়ে কাউন্সিলর নির্ধারণ সম্ভব।
তিনি বলেন, আমার মনে হয় এখন যে জেলা ও বিভাগে অ্যাডহক কমিটি থাকল ওটা সমস্যা হওয়ার কথা না। কারণ জেলা ক্রীড়া সংস্থায় এখনও কিন্তু সাধারণ পরিষদ কিন্তু বিদ্যমান আছে। কমিটি ভাঙা হয়েছে, কিন্তু সাধারণ পরিষদ ডিজল্ব করা হয় নাই। সুতরাং কাউন্সিলর দেয়ার ক্ষেত্রে আপনি সাধারণ পরিষদ থেকেই তো অ্যাডহক কমিটির সদস্য বা নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়।