শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৫৫ রাত
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তুরস্কে ১,৬০০ বছরের প্রাচীন ওয়াইন তৈরির কারখানা উদ্ধার!

প্রত্নতাত্ত্বিক খনন সব সময় আমাদের মুগ্ধ করে। মাটির স্তর খুঁড়ে অতীতের গল্প খুঁজে পাওয়া মানেই যেন হারিয়ে যাওয়া সময়ের সঙ্গে কথোপকথন। কখনো মাটির পাত্রের টুকরা, কখনো মুদ্রা, কখনো বা প্রাচীন বসতির ধ্বংসাবশেষ। প্রতিটি নিদর্শনই নীরবে জানিয়ে দেয়—মানুষ একসময় এখানে ছিল।

সম্প্রতি এমনই এক অভিযানে প্রত্নতাত্ত্বিকেরা তুরস্কের খাদ্যসংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক চমকপ্রদ নিদর্শন আবিষ্কার করেছেন। দেশটির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওয়েমাকলি গ্রামসংলগ্ন কাহতাহ দুর্গের কাছে তাঁরা খুঁজে পেয়েছেন ওয়াইন তৈরির প্রাচীন এক কারখানা।

আনাদোলু এজেন্সি ১৬ অক্টোবর এই আবিষ্কারের খবর প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, ওয়াইন তৈরির কারখানাটির বয়স প্রায় ১ হাজার ৬০০ বছর। প্রত্নতাত্ত্বিকেরা সেখানে আঙুর প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত স্থাপনা, পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধার ও শক্তপোক্ত পেষণযন্ত্রও পেয়েছেন।

গবেষকেরা বলছেন, এই স্থাপনাগুলোর নকশা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে পাওয়া রোমান যুগের মদের কারখানাগুলোর সঙ্গে আশ্চর্য রকমভাবে মিলে যায়। সে সময় হাতে বা কাঠের বিম দিয়ে পিষে আঙুরের রস বের করা হতো। পাথরের নালার ভেতর দিয়ে সেই রস গিয়ে পড়ত পাথরের তৈরি বড় পাত্রে। এরপর গাঁজন প্রক্রিয়ার জন্য বড় মাটির কলসিতে আঙুরের রস সংরক্ষণ করা হতো।

খননে পাওয়া স্থাপনার ভিত্তি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, জায়গাটি চতুর্থ শতকের। সে সময় তুরস্কজুড়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল খ্রিষ্টধর্ম।

স্থানীয় জাদুঘরের পরিচালক মেহমেত আলকান জানান, অসম মাপের পাথরে নির্মিত হওয়া সত্ত্বেও স্থাপনাটির ভিত্তি ‘এখনো ভালোভাবে টিকে আছে, যা অবিশ্বাস্য’। সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়