শিরোনাম
◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে ◈ লিও‌নেল মে‌সি স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন, বা‌র্সেলোনার অভিনন্দন ◈ রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: যুক্তিতর্ক শুনানি আজ ◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি!

প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৪৪ রাত
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জন্ম সনদ ঘরে বসেই ইংরেজিতে রূপান্তর করবেন যেভাবে

অনেক সময় নানা কাজে জন্ম নিবন্ধনের ইংরেজি ভার্সন প্রয়োজন পড়ে। বিশেষ করে পাসপোর্ট, বিদেশে পড়াশোনা বা ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে দেখা যায় ইংরেজিতে জন্ম নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন পড়ে। তবে চিন্তার কিছু নেই—এটি ঘরে বসেই অনলাইনে রূপান্তর করা সম্ভব।

বাংলাদেশ সরকারের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন পোর্টাল http://bdris.gov.bd থেকে সহজেই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়। ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি নিম্নরূপঃ

১. ওয়েবসাইটে প্রবেশ

মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে http://bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে যান।

২. জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে অনুসন্ধান

‘জন্ম নিবন্ধন সংশোধন’ অপশন নির্বাচন করুন। ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর ও জন্ম তারিখ দিয়ে সার্চ করুন।

৩. নিবন্ধন কার্যালয় নির্বাচন

আপনার জন্ম নিবন্ধন যে অফিসে হয়েছে—ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন—সেটি নির্বাচন করুন।

৪. তথ্য ইংরেজিতে প্রদান

নাম, পিতামাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য সঠিকভাবে ইংরেজিতে লিখুন। প্রতিটি ঘর আলাদাভাবে পূরণ করতে হবে।

৫. ঠিকানা ইংরেজিতে লিখুন

জন্মস্থান এবং বর্তমান ঠিকানা ইংরেজিতে প্রদান করুন। মোবাইল নম্বর এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্কও উল্লেখ করতে হবে।

৬. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড

স্ক্যান করা নথি আপলোড করতে হবে। যেমন—

জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

এসএসসি/এইচএসসি সার্টিফিকেট

পুরানো জন্ম নিবন্ধন সনদ

প্রতিটি ফাইলের আকার ৯৭৬ কেবির মধ্যে রাখতে হবে।

৭. পেমেন্ট করুন

ডকুমেন্ট আপলোডের পর ১০০ টাকা সরকারি ফি প্রদান করতে হবে। নগদ, বিকাশ বা অন্যান্য মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করা যাবে।

৮. আবেদন জমা দিন

সব তথ্য ঠিকভাবে পূরণ করার পর “আবেদন জমা দিন” বাটনে ক্লিক করুন। সফল হলে রেফারেন্স নম্বর পাবেন, এটি সংরক্ষণ করুন।

৯. প্রিন্ট কপি জমা দিন

আবেদন সফলভাবে জমা হওয়ার পর প্রিন্ট কপি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন অফিসে নির্ধারিত তারিখে জমা দিন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা:

* জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট

* মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট

* পুরানো জন্ম নিবন্ধন সনদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়