শিরোনাম
◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম

প্রকাশিত : ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অচেনা নম্বর থেকে আসা জাল এসএমএস চেনার সহজ উপায়

বর্তমানে মোবাইল ফোনে ভুয়া বা জাল এসএমএসের সংখ্যা বাড়ছে। এসব মেসেজের মাধ্যমে অনেক সময় মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাই অচেনা নম্বর থেকে আসা মেসেজ দেখলে একটু বেশি সতর্ক হওয়া জরুরি।

ভুয়া এসএমএস চেনার কিছু সহজ উপায় আছে। প্রথমেই খেয়াল করুন মেসেজের ভাষা। যদি সেখানে বানান ভুল থাকে বা ভাষা অস্বাভাবিক মনে হয়, তাহলে সেটি সন্দেহজনক হতে পারে। সাধারণত ব্যাংক বা পরিচিত কোনো সংস্থা তাদের গ্রাহকদের কাছে পরিষ্কার ও নির্ভুল ভাষায় বার্তা পাঠায়।

মেসেজটি কোন নম্বর থেকে এসেছে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। পরিচিত ব্যাংক বা সংস্থা সাধারণত নির্দিষ্ট ও পরিচিত নম্বর থেকেই এসএমএস পাঠায়। অচেনা বা অস্বাভাবিক নম্বর থেকে আসা মেসেজ হলে সেটি যাচাই করা উচিত।

কোনো মেসেজে যদি ব্যক্তিগত তথ্য জানতে চাওয়া হয়—যেমন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর, ওটিপি, পিন নম্বর বা পাসওয়ার্ড—তাহলে সেই মেসেজ একেবারেই এড়িয়ে চলুন। কোনো ব্যাংক বা বিশ্বস্ত সংস্থা কখনোই এসএমএসের মাধ্যমে এমন তথ্য চায় না।

এ ছাড়া মেসেজে থাকা সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক করা থেকেও বিরত থাকতে হবে। অনেক সময় দ্রুত বড় পুরস্কার, লোভনীয় ছাড় বা বিশেষ অফারের কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করা হয়। এগুলোও ভুয়া মেসেজের সাধারণ লক্ষণ।

একই মেসেজ বারবার আসলে বা বিভিন্ন নম্বর থেকে একই ধরনের বার্তা এলে সেটিও সতর্ক হওয়ার ইঙ্গিত। যদি কোনো মেসেজে কোনো ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করা হয়, তাহলে তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তথ্য মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।

কোনো মেসেজ নিয়ে সন্দেহ হলে সেটি উপেক্ষা করাই সবচেয়ে নিরাপদ। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত। সতর্ক থাকলেই এ ধরনের প্রতারণা থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা সম্ভব।

সূত্র: কালবেলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়