শিরোনাম
◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৮:৪০ সকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইলন মাস্ককে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ

প্রযুক্তি দুনিয়ার দুই আলোচিত নাম মার্ক জুকারবার্গ ও ইলন মাস্ক। তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানা সময়েই আলোচনা হয়েছে। একসময় উত্তেজনা এতটাই বেড়েছিল যে, দুজনের মধ্যে ‘কেজফাইট’ হওয়ার কথাও উঠেছিল।

তবে সাম্প্রতিক নথি বলছে, সেই সম্পর্কের বরফ অনেকটাই গলেছে। আদালতে জমা দেওয়া এক মামলার নথিতে দেখা গেছে, জুকারবার্গ নিজেই মাস্ককে বার্তা পাঠিয়ে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন।

নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এই বার্তা আদান-প্রদান হয়। ওই সময় মার্ক জুকারবার্গ একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে করপোরেট আমেরিকা নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন।

বার্তায় জুকারবার্গ লিখেছেন, সরকারের কার্যক্রম কমানোর উদ্যোগে গঠিত ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি’ অগ্রগতি করছে। তিনি আরও জানান, তার টিম প্রস্তুত রয়েছে। যদি মাস্কের টিমকে লক্ষ্য করে কোনো হুমকি বা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস (ডক্সিং) সংক্রান্ত কনটেন্ট ছড়ায়, তা সরিয়ে দিতে।

তিনি লেখেন, “আপনার টিমের বিরুদ্ধে হুমকি বা ডক্সিং হলে আমরা ব্যবস্থা নেব। আরও কিছু দরকার হলে জানাবেন।”

এই বার্তার জবাবে ইলন মাস্ক একটি হৃদয়ের ইমোজি পাঠান। পরে তিনি আরেকটি প্রশ্ন তোলেন। জানতে চান, ওপেনএআই অধিগ্রহণে যৌথভাবে বিড করার বিষয়ে জুকারবার্গ আগ্রহী কি না।

এর জবাবে জুকারবার্গ ফোনে আলোচনা করার প্রস্তাব দেন। তবে পরে প্রকাশিত নথি বলছে, শেষ পর্যন্ত তিনি সেই প্রস্তাবে যুক্ত হননি। এই বার্তাগুলো প্রকাশ পায় মাস্কের করা একটি মামলার অংশ হিসেবে। মামলাটি অপেনএআই-কে ঘিরে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রযুক্তি খাতে প্রতিযোগিতা থাকলেও বড় ইস্যুতে শীর্ষ উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিশেষ করে এআই ও নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলোতে এই যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

সব মিলিয়ে, জুকারবার্গ–মাস্ক সম্পর্কের এই নতুন দিক প্রযুক্তি অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়