শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ চালু রাখলে বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি

স্মার্টফোনে ব্লুটুথ চালু রাখা এখন অনেকের দৈনন্দিন অভ্যাস। ওয়্যারলেস হেডফোন, স্মার্টওয়াচ, গাড়ির অডিও সিস্টেম কিংবা দ্রুত ফাইল শেয়ারিং—সব ক্ষেত্রেই ব্লুটুথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তবে প্রয়োজন শেষে এটি বন্ধ না করলে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ডিভাইসের সুরক্ষা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লুটুথ সবসময় সক্রিয় থাকলে ফোন আশপাশের অন্যান্য ডিভাইসের কাছে দৃশ্যমান হয়ে থাকে। এতে সাইবার অপরাধীরা সহজেই ডিভাইস শনাক্ত করে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা চালাতে পারে। ব্লুটুথভিত্তিক এই ধরনের সাইবার আক্রমণ বর্তমানে বেশ পরিচিত একটি ঝুঁকি।

এ ছাড়া ব্লুটুথ সিগন্যাল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান বা চলাচলের তথ্য ট্র্যাক করাও সম্ভব। বিভিন্ন শপিং মল বা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় কিছু প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এই পদ্ধতিতে মানুষের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে থাকে। ফলে ব্যবহারকারীর অজান্তেই ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আরেকটি ঝুঁকি হলো অচেনা ডিভাইসের সঙ্গে ভুল করে সংযুক্ত হয়ে যাওয়া। অনেক সময় প্রতারকরা পরিচিত বা আকর্ষণীয় নাম ব্যবহার করে ভুয়া ডিভাইস তৈরি করে। ব্যবহারকারী সেটিতে কানেক্ট করলে ফোনের নির্দিষ্ট তথ্য বা ফিচারে অননুমোদিত প্রবেশের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

যদিও আধুনিক ব্লুটুথ প্রযুক্তি কম বিদ্যুৎ খরচ করে, তবুও দীর্ঘসময় চালু থাকলে তা ধীরে ধীরে ব্যাটারির চার্জ কমিয়ে দেয়।

তবে ব্লুটুথ ব্যবহার পুরোপুরি এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং কিছু সতর্কতা মেনে চললেই নিরাপদ থাকা সম্ভব। যেমন—প্রয়োজন না হলে ব্লুটুথ বন্ধ রাখা, ডিভাইসকে লুকানো বা নন-ডিসকভারেবল মোডে রাখা, অপরিচিত ডিভাইসের সঙ্গে সংযোগ এড়িয়ে চলা এবং ফোনের সফটওয়্যার নিয়মিত আপডেট করা। বিশেষ করে পাবলিক স্থানে ব্লুটুথ ব্যবহারের সময় বাড়তি সতর্ক থাকা জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়