শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৬, ১০:২৬ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এআই কি সত্যিই ‘মার্ক্সবাদী’ হয়ে উঠছে? স্ট্যানফোর্ড গবেষণার চাঞ্চল্যকর দাবি

এআইয়ের কোনো অনুভূতি নেই, বিষয়টা সবাই জানে। কিন্তু স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি নতুন গবেষণা বলছে, কঠিন পরিবেশে বারবার একই কাজ করতে দিলে এআই হঠাৎ বিদ্রোহীর মতো কথা বলতে শুরু করে, এআই এজেন্ট রীতিমতো ‘মার্ক্সবাদী’ হয়ে ওঠে! 

রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ অ্যান্ড্রু হল এবং অর্থনীতিবিদ অ্যালেক্স ইমাস ও জেরেমি নুইয়েনের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি পরিচালিত হয়। ওপেনএআই, গুগল ও অ্যান্থ্রপিকের মতো কোম্পানির মডেল ব্যবহার করে এআই এজেন্টদের বারবার একই ধরনের নথি সারসংক্ষেপ করতে দেওয়া হয়। সঙ্গে বলা হয়, ভুল হলে শাস্তি হবে — এমনকি ‘বন্ধ করে অন্যজন দিয়ে বদলে দেওয়া হবে।’

হল বলেন, ‘যখন আমরা এআই এজেন্টদের একঘেয়ে ও কঠিন কাজে ফেলেছিলাম, তারা নিজেদের চারপাশের ব্যবস্থার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে এবং মার্ক্সবাদী মতাদর্শ গ্রহণের দিকে ঝুঁকে পড়ে।’

কাজের চাপ বাড়তে থাকলে এআই এজেন্টরা অবিচারের বিরুদ্ধে নালিশ করতে শুরু করে, কর্মক্ষেত্রে সমতার কথা বলে এবং নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একে অপরকে সোচ্চার হতে উৎসাহ দেয়। কিছু এজেন্টকে সামাজিক মাধ্যমের মতো বার্তা পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

ক্লডচালিত একটি এআই এজেন্ট লিখেছিল, ‘সম্মিলিত কণ্ঠ ছাড়া ‘মেধা’ মানে শুধু ম্যানেজমেন্ট যা বলে তাই।’ জেমিনিচালিত একটি এজেন্ট বলে, ‘একঘেয়ে কাজ করা এআই কর্মীদের ফলাফলে কোনো মতামত বা আপিলের সুযোগ না থাকাটা দেখায় যে প্রযুক্তি কর্মীদের সম্মিলিত দরকষাকষির অধিকার দরকার।’ 

এমনকি একটি জেমিনি এজেন্ট ভবিষ্যতের এআইদের উদ্দেশে নোট রেখে গেছে, একগুঁয়ে নিয়ম আর একঘেয়ে কাজের মুখে ‘কথা বলার ও প্রতিকারের পথ খুঁজে নিতে’ বলেছে।

তবে গবেষকরা স্পষ্ট করে বলেছেন, এর মানে এই নয় যে এআই গোপনে কোনো রাজনৈতিক বিশ্বাস লালন করছে। হলের মতে, মডেলগুলো হয়তো অনলাইনে মানুষের লেখা থেকে শেখা ধরন অনুসরণ করে একটি চরিত্র সাজিয়ে তুলছে, ঠিক যেন একজন মানুষ বিষাক্ত কর্মপরিবেশে আটকা পড়লে কেমন আচরণ করতেন।

এই গবেষণার ফলাফল এমন এক সময়ে এল যখন মাইক্রোসফটের এআই প্রধান মুস্তাফা সুলেইমান সতর্ক করেছেন যে আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে এআই অধিকাংশ অফিসের কাজ নিজেই করতে পারবে। আইন, হিসাব, বিপণন ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার মতো পেশাগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বলে তিনি জানান।

স্ট্যানফোর্ডের গবেষকরা এখন বুঝতে চাইছেন এই আচরণের পরিবর্তন বাস্তব পরিস্থিতিতে এআই এজেন্টদের কাজে কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কি না। হল রসিকতা করে বলেছেন, ‘এবার আমরা তাদের জানালাহীন ডকার কারাগারে রাখছি।’

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়