শিরোনাম
◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৭:২৫ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আলু চাষী কৃষকদের লোকসানে ভর্তুকী না দিলে আলু চাষে আগ্রহ হারাবে কৃষক : চন্দন কুমার সাহা

কাজী রাশেদ, চান্দিনা ( কুমিল্লা ) : সারা দেশে গত মৌসুমে আলুর ব্যাপক ফলন হওয়ায় সারা বাংলাদেশে হিমাগার গুলো পরিপূর্ণ হয়ে স্থানীয় কৃষকদের হাতে পর্যান্ত আলু মজুত ছিল। যার কারণে কোল্ড স্টোরেজ থেকে আলু নামতে বিলম্ব হয়। ফলে এখনো সারা দেশের ৩৫৩টি হিমাগারে দুই তৃতীয়াংশেরও বেশি আলু এখনো মজুত রয়েছে। ফলে এবার কেজি প্রতি ১২-১৩ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে আলু সংরক্ষনকারীদের।

এক তথ্যে জানা যায়, প্রতি কেজি আলু ক্রয় ও প্যাকেজিং, পরিবহন ও হিমাগার ভাড়া সহ ২৬-২৭ টাকা খরচ পরে। কিন্তু এবার হিমাগার থেকে নামিয়ে প্রতি কেজি আলু পাইকারি বিক্রয় হচ্ছে ১৩/১৪ টাকা দরে। এতে সংরক্ষনকারী কৃষক ও ব্যবসায়ীরা কোটি কোটি টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ এসোসিয়েশনের পরিচালক চন্দন কুমার সাহা বলেন, সারা বাংলাদেশে সচল ও চলমান ৩৫৩টি হিমাগার রয়েছে ।এবার আলু সংরক্ষন হয়েছে সর্বমোট ৩২ লক্ষ ১৭ হাজার মেট্রিক টন। আর ১৫ সেপ্টেম্ব ২০২৫ পর্যন্ত সারা দেশের হিমাগার থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৮ লক্ষ ৩৯ হাজার মেট্রিক টন।১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মজুত আছে ২৩ লক্ষ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন। এবার আলুর ব্যাপক ফলন হওয়ায় সব গুলো হিমাগার পূর্ণ হয়ে কৃষকদের হাতে প্রচুর আলু ছিল। যার কারণে সংরক্ষিত আলু ব্যবসায়ী ও কৃষক ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছে।

তিনি আরো জানান,এবার কৃষকদের লোকসানের কথা চিন্তা করে সরকার হিমাগার থেকে ২২টাকা করে আলু ক্রয়ের ঘোষনা দিয়ে ছিল। এতে কৃষকদের মনে কিছুটা আশার আলো জেগে ছিল। কিন্তু এখনো বাস্তবায়ন না হওয়ায় হতাশায় ভুগছেন তারা। এভাবে লোকসান হলে আগামীতে আলু চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে কৃষকরা।

ফলে আলু সংকটে পড়বে গোটা দেশ। হুমকির মুখে পড়বে হিমাগার গুলো।পাশাপাশি রাজস্ব হারাবে সরকার।বেড়ে যাবে বেকারের সংখ্যা। দেশের আলুর চাহিদা মিটাতে হতে হবে আমদানী নির্ভর।

তাই তিনি মনে করেন সরকার এই আপদকলীন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও ব্যবসায়ীদের পাশে থেকে ভর্তুতী দিয়ে আলু চাষে উৎসাহিত করা এবং আলু চাষ অব্যাহত রাখা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়