শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:১২ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উৎপাদন বন্ধ ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায়, গঠন তদন্ত কমিটি

মাহবুব সৈয়দ, পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি: দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় চার দিন ধরে সার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে গত ৩০ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাত ২টার দিকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে।

কারখানার একটি সূত্র জানায়, উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে ধান ও শাকসবজির ভরা মৌসুমে এই পরিস্থিতি সার সরবরাহে প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিষ্ঠিত এই কারখানাটি দেশের বৃহত্তম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।

কারখানার জিএম (কারিগরি) সরফরাজ খান জানান, উৎপাদন বন্ধের কারণ অনুসন্ধানে তাকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধের কারণ ও করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জিএম (বাণিজ্য) আতিকুর রহমান খান বলেন, “যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। তবে কারখানায় বর্তমানে বস্তা ও খোলা অবস্থায় প্রায় ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে। গত অর্থবছরে ৮ লাখ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও উৎপাদন হয়েছে ৮ লাখ ১৬ হাজার মেট্রিক টন।”

কারখানার জিএম (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম বলেন, “উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ করা হলেও দ্রুতই পুনরায় চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুদ থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো সার সংকট হবে না।”

প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকায় নির্মিত এই সার কারখানাটি ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার। গত অর্থবছরে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে এই কারখানাটি, যা দেশের সার উৎপাদনে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়