শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক

প্রকাশিত : ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫০ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিরলে অবহেলিত নৃ-গোষ্ঠী শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা দিচ্ছেন মানবিক দম্পত্তি

এম. এ. কুদ্দুস, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় অবহেলিত ও শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশুদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন এক মানবিক দম্পত্তি। নিজেদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত পাঠশালার মাধ্যমে তারা শুধু শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষা দিচ্ছেন না, পাশাপাশি শিখাচ্ছেন সামাজিক মূল্যবোধ, নীতি-নৈতিকতা ও বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক। তাদের প্রচেষ্টায় এলাকায় বাল্যবিবাহের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।

মানবিক এই দম্পত্তি হলেন — ধর্মপুর ইউনিয়নের আনসার ভিডিপি কমান্ডার কমল চন্দ্র সরকার এবং তার স্ত্রী লতা রানী সরকার। তারা ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ছোট চৌপুকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, ২০২৩ সালে এলাকার পিছিয়ে পড়া আদিবাসী ও সাঁওতাল শিশুদের কথা ভেবে তারা নিজ বাড়িতে একটি পাঠশালা গড়ে তোলেন। কাজের ফাঁকে এবং ছুটির দিনগুলোতে এই দম্পত্তি নিয়মিত শিশুদের পাঠদান করে আসছেন। বর্তমানে তাদের পাঠশালায় ২২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিশু নিয়মিত পাঠ গ্রহণ করছে।

কমল চন্দ্র সরকার জানান, “২০১২ সালে মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে আনসার বাহিনীতে যোগ দিই। সমাজে বঞ্চিত ও শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের কষ্ট দেখে মনে হয়েছিল, শিক্ষা ছাড়া তাদের জীবনে পরিবর্তন সম্ভব নয়। সেই ভাবনা থেকেই ছোট পরিসরে এই উদ্যোগ নিয়েছি।”

তার স্ত্রী লতা রানী সরকার বলেন, “আমরা চাই, এই শিশুরাও যেন অন্য সবার মতো আত্মনির্ভরশীল হয়ে সমাজে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারে।”

শিক্ষার্থী শিশুদের অভিভাবকেরা জানান, “আমাদের সন্তানদের বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা কমল চন্দ্র সরকার ও লতা রানীর প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তাদের মতো মানুষ সমাজে বিরল।”

এলাকার সচেতন মহল মনে করেন, সরকার ও বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতা পেলে এই দম্পত্তি আরও বড় পরিসরে কাজ করতে পারবেন এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অনন্য উদাহরণ স্থাপন করবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়