শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:১৪ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজীপুরে স্ত্রীর গলাকাটা লাশ উদ্ধার, স্বামী গুরুতর জখম

গাজীপুর মহানগরীর একটি বাসা থেকে গলাকাটা অবস্থায় এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় ওই নারীর স্বামীকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে মহানগরীর কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার সকালে ওই দম্পতির ১৬ বছর বয়সী মেয়েকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

নিহত নারীর নাম রহিমা বেগম (৩৮)। তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিনোয়াটি গ্রামের শাজাহান সরকারের মেয়ে। তাঁর স্বামী ইমরান হোসেন ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার আমতৈল গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইমরান হোসেন ও রহিমা বেগম তাঁদের মেয়েকে নিয়ে কোনাবাড়ীর নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একটি ভবনের পাঁচতলায় ভাড়া থাকতেন। ইমরান কোনাবাড়ী এলাকায় মাংস বিক্রির কাজ করতেন, স্ত্রী ঘর সামলাতেন। আজ সকালে পুলিশ খবর পায়, স্বামী-স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। খবর পেয়ে কোনাবাড়ী থানা থেকে পুলিশ ভোরে তাঁদের লাশের সুরতহাল করতে যান। এ সময়ে পুলিশ অর্ধগলাকাটা ইমরান হোসেনকে হাত নাড়াচাড়া করতে দেখেন। পরে তাঁকে দ্রুত গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, ‘এই দম্পতির মেয়ে বন্ধুদের নিয়ে টিকটক করে। সে জানিয়েছে, তার বাবা প্রথমে মাকে হত্যা করেন এবং পরে তিনি নিজেই নিজের গলা কাটেন। এটা সে নিজের চোখেই নাকি দেখেছে। কিন্তু তার কথা আমাদের বিশ্বাস হচ্ছে না। যার কারণে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।’

ওসি জানান, নিহত রহিমা বেগমের লাশ শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাঁর স্বামীকে একই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়