শিরোনাম
◈ অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি, ১৭ মাসে ৪৬০০ ভারতীয়কে ফেরাল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা!

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:২১ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রামের ২৯ জেলে-মাঝিসহ মাছ ধরার ট্রলার ধরে নিয়ে গেছে ভারত

এম আর আমিন, চট্টগ্রাম: ভারতীয় কোস্ট গার্ড কর্তৃক বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা থেকে ২৯ জেলে-মাঝিসহ বাংলাদেশি একটি আমেনা গনি নামে মাছ ধরার ট্রলার ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাতে বঙ্গোপসাগরে ঘন কোঁয়াশার পথ হারিয়ে ট্রলারটি ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগোনা উপকলীয় এলাকায় বাংলাদেশ জলসীমানায় অবস্থানকালীন সময়ে আটক করে নিয়ে যায়। ট্রলারটি হলো- আমানা গণি, যার ইঞ্জিন নং-১২২০ কে ০০৮৩৭৭ (বিএসটি-২৭৮)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে, ট্রলারের মালিক সৈয়দ নূর জানিয়েছেন, মহেশখালীর ধলঘাট এলাকা থেকে গত ১৩ নভেম্বর সকাল ১০টায় ট্রলারটি সাগরে মাছ ধরতে যায়। সেখানে দুইজন মাঝি ও চালকসহ ২৯ জন ছিলেন। ট্রলারের মাঝিরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভারতীয় কোস্ট গার্ডের হাতে আটকের কথা জানিয়েছে।আইনগত কোন ব্যবস্থা নিয়েছেন কি না জানতে চাইলে,তিনি বলেন বিষয়টি সামুদ্রিক মৎস্য অধিদপ্তরে মুুখিকভাবে জানিয়েছি।থানায় গিয়েছিলাম জিডি করার জন্য কিন্তুু সবার এন আইডি কার্ড সাথে  না থাকায় করতে পারিনি।সবশেষ খবর পেয়েছি, ট্রলার ও আটককৃতরা ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগোনা কোস্টাল থানা হেফাজতে রয়েছে।

তবে কী কারণে ট্রলার নিয়ে যাওয়া হয়েছে বা কেন তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি ট্রলারের মালিকপক্ষ।

ভারতে আটক করে নিয়ে যাওয়া মাঝি হলেন-মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, তার ভাই আবু বক্কর, চালক ফেরদৌস, সায়েদ আলী, বখতিয়ার আলম, শহিদুল্লাহ, আবু ছৈয়দ নূরী, সাইফুল ইসলাম, তাহসীন, সাহাব উদ্দিন, তারেকুল ইসলাম, মিন্নাতু, মোহাম্মদ তারেক, ফুতু আলম, সাজ্জাদ, নেছার আহমদ,সালমান, জসিম উদ্দিন, কালু মিয়া, মিজান, আরাফাত, হারুন, মিঠু, হাসান, পারভেজ ও তৈহিদ। তাদেও সবার বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালীতে।

নেছার আহমদের স্ত্রী সালেহা বেগম বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় সর্বশেষ স্বামীর সাথে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন তারা ঘন কোয়াশায় পড়ে পথ ভুলে ট্রলার অজানা গন্তব্যেও দিকে যাচ্ছে। ভাগ্যে কি ঘটে জানে না। এরপর রাত ৯টায় ফোন দিলে নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।

মিঠুর স্ত্রী ডলি আকতার বলেন, সরকারের কাছে আমাদের অনুরোধ খুব সহসা তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করবেন।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের সমুদ্র মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক আব্দুস ছাত্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়