শিরোনাম
◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৪১ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্বামীকে আটকে রেখে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, শোকের ছায়া গোবিপ্রবিতে

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে স্বামীকে অন্য রুমে আটকে রেখে আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে গোপালগঞ্জ শহরের ঘোনাপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে। পরে স্বামী ও স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে গেছেন।

আত্মহত্যা করা ওই শিক্ষার্থীর নাম দীপা দাস। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জের ধরে দীপার বাগবিতণ্ডা হয়। পরে দীপা তার স্বামীকে একটি রুমে আটকে রেখে পাশের রুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে তার স্বামী বাড়ির দারোয়ান ও আশপাশের লোকজন ডেকে ঘরের দরজা ভেঙে পাশের রুমে স্ত্রীকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জাকিয়া সুলতানা মুক্তা বলেন, দীপার আত্মহত্যার বিষয়টি আমরা গতকাল বিকেলে জানতে পারি। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আমরা বাংলা বিভাগের শিক্ষকেরা সদর হাসপাতালে গিয়ে দিপার মরদেহ মর্গে পড়ে থাকতে দেখি। আজ বিকেলে আমরা গিয়েছিলাম। জানতে পেরেছি ময়নাতদন্ত শেষে পরিবার তার মরদেহ নিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে গতকাল বিকেলে সে বাসার এক রুমে স্বামী ও তার সন্তানকে আটকে রেখে অন্যরুমে গিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানতে পেরেছি।

দীপার সহপাঠী রিফাত ইসলাম বলেন, ‘দীপা দাস ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। আমিও জানতে পেরেছি যে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদের কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় আমরা এবং বাংলা বিভাগ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. সরোয়ার হোসেন কালবেলাকে বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি দাম্পত্য কলহের জের ধরে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর তিনি আত্মহত্যা করেছে। উৎস: কালবেলা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়