শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচে মিশরকে হারালো ব্রাজিল ◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই!

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৫৯ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজার সৈকতে ঈদের ভিড়ে শিশু হারানো উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে, এক দিনেই হারাল ১২ শিশু

ঈদের ছুটিতে লাখো পর্যটকের ঢল নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। পর্যটকের ভিড় বাড়ার সাথে সাথে সৈকতে ঘুরতে আসা শিশুদের হারিয়ে যাওয়ার ঘটনাও উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। মূলত অভিভাবকদের অসতর্কতার কারণেই শিশুরা ভিড়ের মধ্যে দলছুট হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

সোমবার (২৩ মার্চ) সৈকতের কলাতলী থেকে সুগন্ধা-লাবণী পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটারে অন্তত দেড় লাখ পর্যটকের সমাগম ঘটে। এদিন ভিড়ের মধ্যে বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ১২টি শিশু হারিয়ে যায়। এর আগে রোববার (২২ মার্চ) হারিয়েছিল ৩টি শিশু। গত দুই দিনে হারানো এই ১৫ শিশুর সবাইকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
 
সোমবার বিকেল ৫টা। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্সে কান্নায় ভেঙে পড়েছে ছয় বছর বয়সি দুই শিশু লাবীবা ও ইলহাম। একই সময়ে নেত্রকোনার মাহাবুব আলম তার ৬ বছরের শিশু মাহাদী এবং নারায়ণগঞ্জের আক্তার হোসেন তার ১৩ বছরের শিশু আতিক মাহমুদকে হারিয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশের শরণাপন্ন হন।
 
ট্যুরিস্ট পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার বাড়ৈ এবং সদস্য মোহাম্মদ ফরিদ দীর্ঘক্ষণ সৈকতে মাইকিং করার পর চার শিশুরই অভিভাবকদের খুঁজে বের করেন এবং তাদের সন্তানকে বুঝিয়ে দেন। সন্তানকে ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিভাবকরা।
  
এর আগে দুপুর ১টার দিকে ঢাকার মিরপুর থেকে আসা ইফতিখার ও কানিজ দম্পতি তাদের ১১ বছর বয়সি কন্যাসন্তানকে হারিয়ে ফেলেন। পরে আধা ঘণ্টা ধরে সৈকত ও ঝাউবাগান এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
 
একই দিন বেলা পৌনে ২টায় সুগন্ধা সৈকত থেকে হারিয়ে যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ১২ বছর বয়সি আয়ান মাহমুদ। বাবা-মায়ের সাথে সমুদ্রে গোসল করতে নেমে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যায় সে। পরে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তায় এক ঘণ্টা পর সন্তানকে ফিরে পান বাবা আল মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘কীভাবে আয়ান হারিয়ে গেল বুঝতে পারিনি। ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
 
ট্যুরিস্ট পুলিশ, লাইফগার্ড ও বিচ কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হারিয়ে যাওয়া বেশির ভাগ শিশুর বয়স ৫ থেকে ১২ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে মেয়ে শিশুর সংখ্যা বেশি।
 
এসআই সুব্রত কুমার বাড়ৈ বলেন, ‘৯৫ শতাংশ শিশু হারিয়ে যাচ্ছে অভিভাবকদের উদাসীনতায়। অনেক অভিভাবক সন্তানদের সৈকতের বালুতে রেখে সমুদ্রের পানিতে গোসলে ব্যস্ত থাকেন। তখনই ভিড়ের মধ্যে শিশুরা হারিয়ে যায়।’
 
তিনি আরও জানান, হারিয়ে যাওয়া শিশুদের উদ্ধার এবং সৈকতে সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য তিনটি পয়েন্টে ট্যুরিস্ট পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়