শিরোনাম
◈ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সুখবর: রেমিট্যান্স হিসেবে গণ্য হবে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের বৈদেশিক আয়, থাকছে না উৎসে কর ◈ ১৬০ অর্থনীতিবিদের জরিপ: স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতবে ফ্রান্স ◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০৭:১৩ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদমদীঘিতে অকটেনশূন্য চার ফিলিং স্টেশন, ভোগান্তিতে চালকরা

এ.এফ.এম মমতাজুর রহমান : আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি: চারটি ফিলিং স্টেশনে তীব্র অকটেন সংকট দেখা দিয়েছে বগুড়ার আদমদীঘিতে। ফলে পেট্রল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে । এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন চালকরা।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল নিতে আসা মানুষের দীর্ঘ লাইন থাকলেও অকটেন সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। যদিও ডিজেল ও পেট্রলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে, তবু অকটেন না থাকায় বিপাকে পড়েছেন যানবাহন চালকরা।

ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক তোফায়েল হোসেন লিটন জানান, তার মোটরসাইকেলের জন্য অকটেন প্রয়োজন হলেও তা না পেয়ে বাধ্য হয়ে পেট্রল নিতে হচ্ছে। সেটি নিতেও রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। অকটেনের ইঞ্জিনে পেট্রল ব্যবহার করলে গাড়ির ইঞ্জিনের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

ফিলিং স্টেশন-সংশ্লিষ্টরা জানান, আদমদীঘি উপজেলার মুরইলে জয় ফিলিং স্টেশন, সান্তাহার পূর্ব ঢাকা রোড এলাকায় আশা ফিলিং স্টেশন, পৌর শহরে আনিকা ফিলিং স্টেশন ও বাইপাস মোড়ে হামিম ফিলিং স্টেশন রয়েছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে এই ৪টি ফিলিং স্টেশনে অকটেনের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় দ্রুত মজুদ শেষ হয়ে গেছে। পাশাপাশি ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় সংকট আরো তীব্র হয়েছে।

এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিলিং স্টেশনগুলোতে পেট্রল সরবরাহেও সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা এবং প্রাইভেট কারে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার পেট্রল দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত অকটেন সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরো অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়