শিরোনাম
◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা ◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩০ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে সড়ক প্রশস্তকরণে অনিয়মের অভিযোগ, বালির বদলে মাটি ব্যবহারের দাবি

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জীবননগর-চুয়াডাঙ্গা হাইওয়ে সড়কের মিলপাড়া এলাকায় রাস্তার দুই পাশে প্রশস্তকরণ কাজে বালির পরিবর্তে মাটি ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে প্রশস্তকরণ কাজে যে বালু ব্যবহার করা হচ্ছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাটির উপস্থিতি রয়েছে। এছাড়া খোয়া হিসেবে ব্যবহৃত ইটের টুকরাগুলোতেও নির্ধারিত মান ও মাপ অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জানা গেছে, যশোরের ঠিকাদার মইনুদ্দিন বাঁশি প্রায় ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ কিলোমিটার সড়কের এই কাজটি বাস্তবায়ন করছেন। প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশ প্রশস্ত করার কথা থাকলেও ব্যবহৃত নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ ব্যাপারে মহিউদ্দিন বাঁশির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইড ইঞ্জিনিয়ার আলামিন আমরা কোন অনিয়ম করছি না এখানে সড়ক পরিবহনের ইঞ্জিনিয়ার সাহেব ও সুপারভাইজার উপস্থিত থেকেই এই বালি ও খোয়া মিশ্রণ করে পাঠিয়েছেন 

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ (রোডস অ্যান্ড হাইওয়েজ) বিভাগের চুয়াডাঙ্গা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে কথা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “দেখতে মাটির মতো মনে হলেও এগুলো বালুই। কুষ্টিয়া থেকে আনা হয়েছে এবং ল্যাব টেস্টেও পরীক্ষা করা হয়েছে। এর প্রমাণপত্র আমাদের কাছে রয়েছে।”

খোয়ার মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “এখানে কোনো দুই নম্বর বা তিন নম্বর ইট ব্যবহার করা হচ্ছে না। তবে কিছু পুরাতন ইটের খোয়া থাকতে পারে।”

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকল্পটির তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা ও সুপারভাইজারের সঙ্গে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে নিম্নমানের কাজকে বৈধতা দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে সুপারভাইজার শাহীনসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে করে জনসাধারণের টাকায় নির্মিত সড়কের মান নিশ্চিত করা যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়