শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপের প্রস্তু‌তি, ফ্রান্স‌কে হারা‌লো আইভ‌রি কোস্ট, স্পেনকে রুখে দিলো ইরাক ◈ ৩০০ ফিটে ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে যুবলীগ নেতা আটক ◈ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে আবারো তলিয়ে গেছে যাত্রীবাহী বাস (ভিডিও) ◈ নতুন সতর্কতায় ‘সুপার এল নিনো’, কোন সংকটে পড়তে পারে বিশ্ব? ◈ আওয়ামী লীগের দ্রুত পুনরুত্থান কেন এখনই অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে? ◈ ‘মোদি আর এক বছরও টিকবেন না’, জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে : রাহুল গান্ধী ◈ জাপা‌নের ভা‌র্ডিকে হারিয়ে এশিয়ার সেরা উত্তর কো‌রিয়ার ক্লাব! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা ◈ কারামুক্ত আইভীর বাড়ির সামনে সিসি ক্যামেরা, নজরদারিতে পুলিশ ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০৭:১২ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে তরুণ উদ্যোক্তার আঙ্গুর বিপ্লব, ৩ বিঘা থেকে এখন ২০ বিঘার ফল বাগান

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম লালের আঙ্গুর বাগান ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার গল্প। ২০২৪ সালে মাত্র ৩ বিঘা জমিতে আঙ্গুর চাষ দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তার বাগান বিস্তৃত হয়েছে ২০ বিঘায়, যার মধ্যে ৭ বিঘা জুড়ে রয়েছে আঙ্গুরের চাষ।

উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের হাসাদহ তালপুকুর মাঠে গড়ে ওঠা এই বাগানে প্রতিদিনই চলছে আঙ্গুর সংগ্রহ। প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ ক্যারেট আঙ্গুর উৎপাদন হচ্ছে বলে জানান উদ্যোক্তা লাল। জেলার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা সরাসরি বাগানে এসে আঙ্গুর কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়।

লাল জানান, তার এই বাগানে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক দৈনিক চুক্তিতে এবং আরও ১৫ জন মাসিক চুক্তিতে কাজ করছেন। ফলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

কুষ্টিয়া থেকে আসা পাইকার শরীফ বলেন, “অনলাইনে বাগানটি দেখে এখানে এসেছি। দেশের বাইরে থেকে যে আঙ্গুর আসে, এর মানও প্রায় একই রকম। তাই এখান থেকে কিনে নিয়ে গিয়ে আমার পার্টিদের কাছে বিক্রি করব।”

 কার্পাস ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল লতিফ জানান, “আমি দীর্ঘদিন ধরে আঙ্গুর চাষের পরিকল্পনা করছিলাম। আজ লাল ভাইয়ের বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। ১,৫০০টি চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছি, নিজের বাগান গড়ার জন্য।”

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যেও বাগানটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। স্কুলছাত্র আব্দুর রহিম বলে, “আমাদের বাড়ি পাশের গ্রামে। মাঝে মাঝেই আমরা বাগানে আসি। এখানে এসে আঙ্গুর খেতেও পাই, খুব ভালো লাগে।”

খয়েরহুদা গ্রামের গৃহবধূ সপ্না তার ছোট মেয়ে লাবনীকে নিয়ে বাগান দেখতে এসে বলেন, “অনলাইনে দেখে আজ সরাসরি এলাম। বাগান খুব সুন্দর। গাছ থেকে আঙ্গুর খেয়েছি, যাওয়ার সময় কিছু কিনেও নিয়ে যাব।”

তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম লালের এই সফলতা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। আধুনিক পদ্ধতিতে ফল চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার এ উদ্যোগ এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়