শিরোনাম
◈ প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার ম‌ধ্যে ওয়ান‌ডে সিরিজের প্রথম ম‌্যাচ আজ ◈ নতুন মোড় তনু হত্যা মামলায়, সাবেক দুই সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০২:১০ রাত
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুখে ঘা কি শুধু সাধারণ সমস্যা, নাকি গুরুতর রোগের লক্ষণ?

অনেকেরই মুখে ঘা বা আলসার হয়ে থাকে। এটি ছোট্ট একটি সমস্যা হলেও অল্পতেই কিন্তু অতিষ্ঠ করে দেয় আমাদের। একবার এই ঘা হলে কথা বলা, খাবার খাওয়া বা ঝাল-জাতীয় পছন্দের কিছু খাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। এ জন্য নানা চেষ্টা অবলম্বন করা হয়।

সাধারণত মুখের এই ধরনের ঘা এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজ থেকেই ঠিক হয়। এ কারণে খুব একটা গুরুত্ব দেয়া হয় না। কিন্তু এই অবহেলাই অনেক সময় জটিল রোগের কারণ হতে পারে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনাল মেডিসিনের চিকিৎসক অনিকেত মুলে এ ব্যাপারে কথা বলেছেন। তার মতে―মুখের ঘা কখনো কখনো বড় কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

মুখে ঘা হওয়ার কারণ: মানসিক চাপ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মুখে এ ধরনের ঘা হয়ে থাকে। আবার খাবার খাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত গালে বা জিভে কামড় লাগা, অতিরিক্ত ঝাল বা মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া, শরীরে পানির ঘাটতি বা ডিহাইড্রেশন এবং শরীরে ভিটামিন বা পুষ্টির কিছুটা অভাব থাকলেও এ ধরনের ঘা হয়ে থাকে।

কোন কোন রোগের কারণে এমন হতে পারে: মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য অনেক সময় শরীরের ভেতরের বিভিন্ন গুরুতর সমস্যার পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। যেমন, বারবার মুখে ঘা হওয়া শরীরে ভিটামিন বি১২, আয়রন বা ফোলেটের মতো প্রয়োজনীয় উপাদানের অভাবের লক্ষণ হতে পারে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার (ইমিউন ডিজঅর্ডার) সমস্যা থাকলে, মেটাবলিক কন্ডিশন বা অন্য কোনো ধরনের দীর্ঘমেয়াদি ক্রনিক রোগের সংকেত হিসেবেও মুখে ঘা দেখা দিতে পারে।

কখন চিকিৎসকের দ্বারস্থ হবেন: এ ব্যাপারে চিকিৎসক অনিকেত জানিয়েছেন, মুখের ঘা যদি দু-এক সপ্তাহের মধ্যে মিলিয়ে যায়, তাহলে ভিন্ন কথা। কিন্তু ঠিক না হয়ে অস্বাভাবিক কিছু দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়াও কিছু লক্ষণ দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। যেমন- মুখের ঘা যদি দুই থেকে তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে এবং তা যদি না কমে।

আবার ঘা যদি বারবার হতে থাকে বা আকারে বেশ বড় হতে থাকে। ঘা থেকে রক্ত বের হতে থাকলে। এছাড়া ঘা হওয়ার পর যদি ক্রমশ মুখে ব্যথা, খাবার গিলতে অসুবিধা, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া, জ্বর বা অতিরিক্ত ক্লান্তি দেখা দেয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সঠিক চিকিৎসা: অনেকেই মুখে ঘা হলে ডাক্তারের কাছে না গিয়ে নিকটস্থ কোনো ফার্মেসি বা দোকান থেকে জেল বা ঘরোয়া টোটকা পালন করেন। এসবে সাময়িক সময়ের জন্য স্বস্তি মিললেও পরিপূর্ণ সুস্থতা পাওয়া যায় না। ফলে পরবর্তীতে সমস্যা জটিল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঘা’র স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। ঘা ঠিক হওয়ার পরিবর্তে যদি বাড়তে থাকে বা জটিলতা দেখা দিতে থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। উৎস: আনন্দবাজার পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়