শিরোনাম
◈ এবা‌রের বিশ্বকা‌পে আ‌র্জেন্টিনা ক‌তোটা শ‌ক্তিশালী, রোববার সকা‌লে পরীক্ষা নে‌বে হন্ডুরাস ◈ দেশের শিশুস্বাস্থ্যে গবেষণার কেন্দ্র বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল, তবু শয্যা ও প্রযুক্তি সংকট ◈ কাল শুরু হচ্ছে সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন, বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ◈ 'অনেক কষ্টে এসএসসি পাস করেছে' কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসককে নিয়ে আসিফের কড়া মন্তব্য; দিলেন বরাদ্দের ব্যাখ্যা ◈ তুরস্ক কেন বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে চাইছে? ◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

প্রকাশিত : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৫ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪ বছর পর আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত পারাপার পথ খুলে দিল উজবেকিস্তান

চার বছর পর আফগানিস্তানের সঙ্গে একমাত্র সীমান্ত পারাপার পথ পুনরায় খুলে দিয়েছে উজবেকিস্তান। ২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকে চার বছর ধরে বন্ধ থাকা এই সীমান্ত চালু হওয়ায় দুই দেশের বাণিজ্যিক যোগাযোগ নতুন গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরব নিউজ জানিয়েছে, মঙ্গলবার উজবেকিস্তানের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এক বিবৃতিতে জানায়, তেরমেজ–হৈরাতান সীমান্ত পয়েন্ট এখন সম্পূর্ণ সচল। ফলে দুই দেশের নাগরিকরা সরাসরি ও নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবেন। তবে দুই দেশের ভিসা ব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকবে। সংস্থাটি জানায়, সীমান্ত বন্ধ থাকায় উজবেকিস্তান থেকে আফগানিস্তানের মাজার-ই-শরিফে পৌঁছাতে লোকজনকে ঘুরপথে তাজিকিস্তান হয়ে যেতে হতো। এই পথটি উজবেকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র ৭৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সীমান্ত খোলায় রপ্তানিকারকদের কার্যক্রম আরও সহজ হবে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফগানিস্তানে উজবেক রপ্তানির স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

২০২১ সালের আগস্ট থেকে ব্যক্তিগতভাবে সীমান্ত পারাপার নিষিদ্ধ থাকলেও সীমিত পরিসরে পণ্যবাণিজ্য চলমান ছিল। এছাড়া বাণিজ্য বাড়াতে উজবেকিস্তানের এয়ারিতম ফ্রি-ট্রেড জোনে ভিসামুক্তভাবে যেতে পারতেন আফগান নাগরিকরা। চেম্বারের তথ্য অনুযায়ী, সীমান্তটি আসলে গত ২৩ নভেম্বর থেকেই কার্যক্রমে ফিরেছে। আমু দরিয়া নদী দুই দেশের সীমান্তরেখা নির্ধারণ করে। একমাত্র সীমান্ত পারাপারের স্থানটি তেরমেজ শহরের কাছে অবস্থিত ‘ফ্রেন্ডশিপ ব্রিজ’-এ। এই সেতুর মাধ্যমেই ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত সেনারা আফগানিস্তান ত্যাগ করেছিল। ২০২১ সালে তালেবান অগ্রযাত্রার সময় আফগান সেনাদের একাংশও এই পথেই পালিয়ে যায়।

তালেবান ক্ষমতায় আসার পর মধ্য এশিয়ার পাঁচ দেশ:উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানÑচরমপন্থার প্রসার নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। তবে চার বছর পর নিরাপত্তা শঙ্কার চেয়ে অর্থনৈতিক স্বার্থই এখন বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। বর্তমানে মধ্য এশিয়ার দেশগুলো সমুদ্রগম্য পথ পেতে আফগানিস্তান হয়ে রেলপথসহ নানা অবকাঠামো প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। এতে তালেবান সরকারও উপকৃত হচ্ছে, কারণ দেশটির খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় মধ্য এশিয়ার ওপর তাদের নির্ভরতা বাড়ছে।

সূত্র: ইনকিলাব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়