চলতি সপ্তাহেই চালু হতে পারে দীর্ঘদিন অকেজো হয়ে পড়ে থাকা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ই-গেইট।
সোমবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এ সম্ভাবনার কথা শোনান।
তিনি বলেন, “শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দ্রুত ই-গেইট চালু করা হবে। এ সপ্তাহের মধ্যে যেন ই-গেইট চালু করা যায়, সে চেষ্টা করা হচ্ছে। যাদের ই-পাসপোর্ট রয়েছে, তারা পাসপোর্ট দেখিয়ে ই-গেইট দিয়ে ঢুকতে পারবেন।
“এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে সব দেশে বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হবে।”
ই-পাসপোর্ট ও অটোমেটেড বর্ডার কন্ট্রোল (এবিসি) ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় শাহজালাল বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দরে ৫০টি ই-গেইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছিল সরকার।
প্রায় ১১ মাস পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষ করে ২০২২ সালের ৭ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ই-গেইট কার্যক্রম উদ্বোধন হয়।
সেসময় বিমানবন্দরে ২৬টি ই-গেইট স্থাপন করে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগ (ডিআইপি)। এর মধ্যে আগমনীতে ১২টি, বহির্গমনে ১২টি ও ভিআইপিতে দুটি ই-গেইট রয়েছে।
ই-পাসপোর্টধারীরা যেন ম্যানুয়াল পদ্ধতির পরিবর্তে এসব গেইট ব্যবহার করে দ্রুত ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এসব গেট চালু করা হয়।
শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্যানুযায়ী, ই-পাসপোর্ট নিয়ে একজন যাত্রী যখন ই-গেইটের কাছে যাবেন, তখন গেইটের মুখেই একটি নির্দিষ্ট স্থানে ই-পাসপোর্টটি রাখলে সঙ্গে সঙ্গে গেট খুলে যাবে। নির্দিষ্ট নিয়মে গেইটের নিচে দাঁড়ানোর পর ক্যামেরা ছবি তুলে নেবে। এরপর সব ঠিকঠাক থাকলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই যাত্রী ইমিগ্রেশন পেরিয়ে যেতে পারবেন। যেখানে ম্যানুয়ালি এ প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক বেশি সময় লাগে।
উদ্বোধনের কিছু দিন পরেই সার্ভার জটিলতায় অকেজো হয়ে পড়ে এসব ফটক। ফলে আগের মতোই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন অধিকাংশ যাত্রীরা। নতুন করে চালু হলে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় আরও গতি আসবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গত সপ্তাহে পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন অধিদপ্তর থেকে ই-গেট চালু করা কথা জানানো হয়েছে।” সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম