শিরোনাম
◈ ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব ◈ বিশ্বকা‌পে মারা‌দোনা‌কে নি‌য়ে এক প্রজন্মের হৃদয়ভাঙার গল্প! ◈ চার দিন শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল ভারত ◈ ভারতের ভিসা আবেদনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট প্রক্রিয়ায় যে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে আইভ্যাক ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’ বাতিল হচ্ছে! ◈ এসএসসির ফল প্রকাশ নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার বেনজীরকে দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে সরকার ◈ প্রাথমিকে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করেনি মন্ত্রিপরিষদ জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ হাসপাতাল বন্ধ, তবে বন্ধ হচ্ছে না আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ, বিকল্প হাসপাতালে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ◈ ৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই ঝড় তুলল সুইডেন, তিউনিসিয়াকে ৫-১ ব্যবধানে হার

প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২৬, ০২:১৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৩:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চার দিন শূন্যরেখায় আটকে থাকার পর ১২ জনকে ফেরত নিল ভারত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে টানা ৮০ ঘণ্টা ধরে পুশইনের শিকার হয়ে সীমান্তের শূন্যরেখার পাটখেতে আটকে থাকা ১২ জনকে অবশেষে নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এই ঘটনায় চারটি শিশু ও চারজন নারীসহ মোট ১২ জন রোদ-বৃষ্টি ও খাদ্য-পানির তীব্র সংকটে খোলা আকাশের নিচে টানা চার দিন আটকে ছিলেন।

গত শুক্রবার ভোরে বিএসএফের প্রাগপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালানো হয়। বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিরোধে তারা সীমান্তের শূন্যরেখার ভারতীয় অংশের একটি পাটখেতে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কারণে শিশু ও নারীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং পুরো এলাকায় মানবিক সংকট তৈরি হয়। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এই সময়ে খাবার, পানি ও আশ্রয়ের অভাবে পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেও সীমান্তে বিজিবি অনড় অবস্থান বজায় রাখে। অন্যদিকে স্থানীয় বাসিন্দারাও নিরাপত্তা ও মানবিকতা-দুই দিক বিবেচনায় নিয়ে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও সহায়তায় যুক্ত থাকেন। পরে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বেলা ১১টার দিকে বিএসএফ আনুষ্ঠানিকভাবে ওই ১২ জনকে নিজেদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে নেয়। দীর্ঘ ৮০ ঘণ্টার অচলাবস্থার অবসানে সীমান্ত এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা 'জিরো টলারেন্স' নীতি অনুসরণ করছে এবং বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। তবে একই সঙ্গে মানবিক সংকট এড়াতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়